তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২০, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

ভালুকার করোনা আপডেট

২৯ জুন ২০২০, সোমবার
আক্রান্ত
২৪ ঘন্টা মোট
৫ জন ২২৯ জন
সুস্থ
২৪ ঘন্টা মোট
০ জন ৮২ জন
মৃত্যু
২৪ ঘন্টা মোট
০ জন ৩ জন

বিস্তারিত বিষয়

গৌরীপুর কলেজের স্থাপনা ভাঙ্গা বন্ধ রাখার নির্দেশ

গৌরীপুর সরকারি কলেজের প্রাচীন স্থাপনা ভাঙ্গা বন্ধ রাখার নির্দেশ
[ভালুকা ডট কম : ১৮ জুলাই]
ময়মনসিংহের গৌরীপুর সরকারি কলেজে প্রাচীন স্থাপনা (পাকাভবন) ভাঙ্গা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রতিনিধিদের একটি টিম ওই প্রাচীন স্থাপনা পরিদর্শন করেছে।

গৌরীপুর সরকারি কলেজের প্রাচীন স্থাপনা ভেঙ্গে পাঠদান ভবন নির্মণের খবরটি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক (ঢাকা বিভাগ) রাখী রায় গৌরীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে প্রাচীন স্থাপনা ভাঙ্গা বন্ধ রাখার জন্য বলেন।শুক্রবার প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রতিনিধি ময়মনসিংহ শশীলজ জাদুঘরের ফিল্ড অফিসার সাবিনা ইয়াসমিনের নেতুত্বে একটি দল ওই প্রাচীন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

ফিল্ড অফিসার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, স্থাপনাটি তারা পরিদর্শন করেছেন। এ রিপোর্ট ঢাকায় পাঠানো হবে। সেখান থেকে কি করা যাবে তা নির্দেশনা আসবে। এছাড়া তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে দেখা করে স্থাপনা ভাঙ্গার কাজ বন্ধ রাখতে বলেছেন।

উল্লেখ্য গৌরীপুর সরকারি কলেজের প্রাচীন স্থাপনা ভেঙ্গে পাঠদান ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর ওই স্থাপনাটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। তবে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসাবে জমিদার আমলের এই স্থাপনাটি ভেঙে ফেলার পরিবর্তে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের দাবি উঠে সর্বমহলে।

১৯৬৪ সালের ১লা আগস্ট গৌরীপুর পৌর শহরের কৃষ্ণপুর এলাকায় জমিদার সুরেন্দ্র প্রসাদ লাহিড়ীর দৃষ্টিনন্দন বাড়িতে স্থাপিত হয় গৌরীপুর সরকারি কলেজ। কলেজটিতে রয়েছে ২২একর সম্পত্তি। দৃষ্টিনন্দন বাড়িটিতে স্থাপিত কলেজটি প্রাচীণ নির্দশন, সুপ্রশস্থ মনোরম ক্যাম্পাস ও প্রাকৃতি পরিবেশের কারণে ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠটি ক্রমান্বয়ে দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়। ১৯৯১ সালে কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়।

২০১২ সালে কলেজে অর্নাস কোর্স চালু হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্বি পাওয়ায় দেখা দেয় ভবন সংকট। সম্প্রতি কলেজে ভবন নির্মাণের জন্য জমিদার সুরেন্দ্র প্রসাদ লাহিড়ীর দৃষ্টিনন্দন বাড়ির দরবারখানা হিসেবে ব্যবহৃত প্রাচীন স্থাপনা ভাঙার কাজ শুরু হয়। পরে স্থাপনা ভাঙার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে। কলেজে নতুন ভবন নির্মানের বিকল্প জায়গা থাকার পরেও কেন প্রাচীন নির্দশন ভেঙে ভবন নির্মাণ হচ্ছে সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেন বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষ।  (১৫ জুলাই) বুধবার থেকে অধ্যক্ষ’র ভবনের পাশে প্রাচীন স্থাপনাটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যে একতলা ছাদবিশিষ্ট স্থাপনাটির বেশ কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি অংশ ভাঙা হবে বলে নির্মাণ কাজের শ্রমিকরা জানিয়েছে।

এ বিষয়ে গৌরীপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মিল্টন ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, স্থাপনাটির অবকাঠামো দুর্বল ও ঝুঁকিপুর্ণ হওয়ায় এটি পুনরায় সংস্কার করে সংরক্ষণের সুযোগ নেই। স্থাপনাটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল্। তাই ভবন নির্মাণের জন্য যথাযথ নিয়ম মেনে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় এটি ভাঙা হচ্ছে। তবে কলেজের যে সকল প্রাচীন নির্দশন সংস্কার করার সুযোগ রয়েছে সেগুলো আমরা সংস্কার করে সংরক্ষণ করছি।#




সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষাঙ্গন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৮৩ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই